Saturday, September 30, 2017

শহীদ হওয়ার পুর্বে খুবাইব (রাঃ) আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে এই দোয়াটি করেন,

শহীদ হওয়ার পুর্বে খুবাইব (রাঃ) আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে এই দোয়াটি করেন,
اللَّهُمَّ أَحْصِهِمْ عَدَدًا، وَاقْتُلْهُمْ بَدَدًا، وَلاَ تُبْقِ مِنْهُمْ أَحَدًا،
হে আল্লাহ, আপনি আমার হত্যাকারীদেরকে গুনে গুনে রাখুন, আমার শত্রুদেরকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করুন, আর তাদের একজনকেও অবশিষ্ট রাখবেননা।
(সহীহ বুখারী-৭৯)
আমরাও এই দোয়াই করি আমাদের রবের নিকট।
Read more ...

যে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দান করে সে শয়তানের সাথী :

যে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দান করে সে শয়তানের সাথী :
وَالَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ ۗ وَمَن يَكُنِ الشَّيْطَانُ لَهُ قَرِينًا فَسَاءَ قَرِينًا
আর সে সমস্ত লোক যারা ব্যয় করে স্বীয় ধন-সম্পদ লোক-দেখানোর উদ্দেশে এবং যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে না, ঈমান আনে না কেয়ামত দিবসের প্রতি এবং শয়তান যার সাথী হয় সে হল নিকৃষ্টতর সাথী।(সুরা নিসা:৩৮)
Read more ...

জিকিরের আমল

জিকিরের আমলের মত যদি আজ জিহাদের আমল মুসলমাদের থাকতো তাহলে মিয়ানমার সহ বিশ্বের কোন জালিম মুসলমানদের নির্যাতন করাতো দুরের কথা তারা চোখ রাংগিয়ে কথা বলার সাহসও করতোনা।
মহান আল্লাহ তায়ালার স্পষ্ট বিধান "জিহাদ"কে কটাক্ষ বা অস্বীকার করে কোরআনে বর্ণিত জিহাদের সে আয়াতকে সাওয়াবের আশায় তিলাওয়াত করে বা সে আরবি লিখাগুলোকে সম্মান দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
মুসলমান হিসেবে থাকতে চাইলে জিহাদকে কটাক্ষ বা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। নিজের প্রয়োজনে নিজের ঠেকায় আল্লাহর আজাব থেকে বাচতে জিহাদকে ভালভাবে বুঝে জিহাদের আমল করতেই হবে।
..............ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক। নিঃসন্দেহে আমরা তা মেনে নিতে পারিনা।
আবার আরাকানের মুসলমানদের সাথে তারা পশুর চাইতেও যে নিকৃষ্ট আচরণ করে যাচ্ছে তাও মেনে নিতে পারিনা, সমর্থনও করতে পারিনা। এবং মানবিক দায়ীত্ববোধ থেকে আমরা এই অসহায়দের বিতাড়িত করার চিন্তাও করতে পারিনা।
ঈমানি কারণেতো এই নির্যাতিতদের সার্বিক সহযোগীতা করতে আমরা বাধ্য।
বাংলাদেশ সরকারও সে মানবিক দায়ীত্ববোধ থেকে এই অসহায়দের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে।
এক্ষেত্রে কেউ অতি দেশত্ববোধ দেখাতে গিয়ে মানবতাবোধকে হত্যা করে অসহায় রোহিঙ্গাদের বিরোধীতা করে যাচ্ছে। আবার কেউবা নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রতি মানবতাবোধ দেখাতে গিয়ে আবেগে দেশের চিন্তাও একেবারে বাদ দিয়ে দিচ্ছে। এই দুই চিন্তার সমন্বয় থাকতে হবে।
আমরা রোহিঙ্গাদের জায়গা না দিলে মায়ানমার তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে যাবে। শুধু জায়গা দিয়ে চুপ করে বসে থাকলেও মায়ানমার তাদের বিতাড়িত করে সম্ভাব্য একটি মুসলিম দেশ আরাকানকে মুছে দিয়ে তাদের মিশন সফল করবে।
ভৌগলিক কারনে অনেকটাই আমাদের দেশের ভুমিকার উপর নির্ভর করছে আরাকানের মুসলমানদের আরাকানে টিকে থাকা না থাকা।
আমরা যদি ঈমানী কারনে বা মানবিক কারনে সঠিকভাবে আরাকানের রোহিঙ্গা মুসলমানদের সহযোগীতা করতে পারি তাহলে আরাকানের প্রায় ২৫০ বছরের এই নির্মম দুঃখ কষ্ট দূর হবে ইনশাআল্লাহ। আমি মনেকরি এই সহযোগীতায় সামিল হবে বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ।
"পাশের বাড়ীতে আগুন লেগেছে আমার ঘরতো ঠিক আছে" এই মুর্খচিন্তা ও এই স্বার্থপরতা দেহে নুন্যতম ঈমান থাকতে আমরা দেখাতে পারিনা।
.................ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

মানবিক সাহায্য চালিয়ে যেতে হবে।

মানবিক সাহায্য চালিয়ে যেতে হবে। অধিকার হারা রোহিঙ্গাদের বিরোধীতা নয়। ওরা নির্যাতিত.! ওরা অসহায়.! ওরা আমাদের মেহমান। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র বিরোধীতা করবো মায়ানমারের। রোহিঙ্গা ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোন পথ নেই।
মায়ানমারের এই খুনের দরিয়ার বিরুদ্ধে এবং অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সহযোগীতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সার্বিক সহযোগীতা করে যেতে হবে।
........ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

কোরআনের আয়াত

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"তোমরা যদি (নির্যাতিত মানুষের সাহায্যে) বের না হও, তাহলে তোমাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দেয়া হবে, আর তোমাদের স্থলে অন্য সম্প্রদায়কে আনা হবে (অথচ) তোমরা তাঁর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।"
(সূরা-তাওবা-৩৯ )
Read more ...

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

 রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মানী মেহমান। তাদের ঈমান বড়ই দামী। ঈমান ছাড়া তারা সবই হারিয়েছে। জীবনের দামে তাদের ঈমান কেনা। বৌদ্ধ জালিমরা তাদের গোস্ত থেকে হাড্ডি আলাদা করতে পেরেছে কিন্তু হৃদয় থেকে ঈমানকে আলাদা করতে পারেনি।
যারা কোনভাবে বেচে রয়েছে তারা ধংসস্তুপ থেকে নুন্যতম মানবাধিকার পাওয়ার আশায় আমাদের উপর বড় আশাকরে বিরাট আস্থা বিশ্বাস রেখে ছুটে এসেছে মায়ানমার থেকে। ক্ষতবিক্ষত হৃদয় ও রক্তাক্ত দেহ নিয়ে জালিমদের চোখ এড়িয়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনের পর দিন হেটে হেটে বন জংগলের হিংস্রপ্রাণীদের এড়িয়ে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশে আমাদের কাছে এসেছে।
আমরা তাদেরকে সর্বচ্চ সম্মান দেখিয়ে সাধ্যানুযায়ী সার্বিক সহযোগীতা করা আমাদের উপর ফরজ। তারা আমাদের কাছে এসে ছোট হয়নি বরং আমরা তাদেরকে সম্মান ও সার্বিক সহযোগীতা সঠিকভাবে করতে না পেরে তাদের কাছেই আমরা অনেক ছোট ও লজ্জিত।
আশাকরি কারো নুন্যতম মানবতাবোধ থাকলে হৃদয়ে নুন্যুতম ঈমানের একটি কণাও থাকলে প্রিয় রোহিঙ্গাদের নিয়ে জীবনে আর কোনদিন ঠাট্টা মশকারা করবেনা।
.................ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...