Saturday, September 30, 2017

শহীদ হওয়ার পুর্বে খুবাইব (রাঃ) আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে এই দোয়াটি করেন,

শহীদ হওয়ার পুর্বে খুবাইব (রাঃ) আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে এই দোয়াটি করেন,
اللَّهُمَّ أَحْصِهِمْ عَدَدًا، وَاقْتُلْهُمْ بَدَدًا، وَلاَ تُبْقِ مِنْهُمْ أَحَدًا،
হে আল্লাহ, আপনি আমার হত্যাকারীদেরকে গুনে গুনে রাখুন, আমার শত্রুদেরকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করুন, আর তাদের একজনকেও অবশিষ্ট রাখবেননা।
(সহীহ বুখারী-৭৯)
আমরাও এই দোয়াই করি আমাদের রবের নিকট।
Read more ...

যে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দান করে সে শয়তানের সাথী :

যে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দান করে সে শয়তানের সাথী :
وَالَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ ۗ وَمَن يَكُنِ الشَّيْطَانُ لَهُ قَرِينًا فَسَاءَ قَرِينًا
আর সে সমস্ত লোক যারা ব্যয় করে স্বীয় ধন-সম্পদ লোক-দেখানোর উদ্দেশে এবং যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে না, ঈমান আনে না কেয়ামত দিবসের প্রতি এবং শয়তান যার সাথী হয় সে হল নিকৃষ্টতর সাথী।(সুরা নিসা:৩৮)
Read more ...

জিকিরের আমল

জিকিরের আমলের মত যদি আজ জিহাদের আমল মুসলমাদের থাকতো তাহলে মিয়ানমার সহ বিশ্বের কোন জালিম মুসলমানদের নির্যাতন করাতো দুরের কথা তারা চোখ রাংগিয়ে কথা বলার সাহসও করতোনা।
মহান আল্লাহ তায়ালার স্পষ্ট বিধান "জিহাদ"কে কটাক্ষ বা অস্বীকার করে কোরআনে বর্ণিত জিহাদের সে আয়াতকে সাওয়াবের আশায় তিলাওয়াত করে বা সে আরবি লিখাগুলোকে সম্মান দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
মুসলমান হিসেবে থাকতে চাইলে জিহাদকে কটাক্ষ বা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। নিজের প্রয়োজনে নিজের ঠেকায় আল্লাহর আজাব থেকে বাচতে জিহাদকে ভালভাবে বুঝে জিহাদের আমল করতেই হবে।
..............ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক

মায়ানমার চায় আরাকানের সব বাংগালীই বাংলাদেশে চলে আসুক। নিঃসন্দেহে আমরা তা মেনে নিতে পারিনা।
আবার আরাকানের মুসলমানদের সাথে তারা পশুর চাইতেও যে নিকৃষ্ট আচরণ করে যাচ্ছে তাও মেনে নিতে পারিনা, সমর্থনও করতে পারিনা। এবং মানবিক দায়ীত্ববোধ থেকে আমরা এই অসহায়দের বিতাড়িত করার চিন্তাও করতে পারিনা।
ঈমানি কারণেতো এই নির্যাতিতদের সার্বিক সহযোগীতা করতে আমরা বাধ্য।
বাংলাদেশ সরকারও সে মানবিক দায়ীত্ববোধ থেকে এই অসহায়দের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে।
এক্ষেত্রে কেউ অতি দেশত্ববোধ দেখাতে গিয়ে মানবতাবোধকে হত্যা করে অসহায় রোহিঙ্গাদের বিরোধীতা করে যাচ্ছে। আবার কেউবা নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের প্রতি মানবতাবোধ দেখাতে গিয়ে আবেগে দেশের চিন্তাও একেবারে বাদ দিয়ে দিচ্ছে। এই দুই চিন্তার সমন্বয় থাকতে হবে।
আমরা রোহিঙ্গাদের জায়গা না দিলে মায়ানমার তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে যাবে। শুধু জায়গা দিয়ে চুপ করে বসে থাকলেও মায়ানমার তাদের বিতাড়িত করে সম্ভাব্য একটি মুসলিম দেশ আরাকানকে মুছে দিয়ে তাদের মিশন সফল করবে।
ভৌগলিক কারনে অনেকটাই আমাদের দেশের ভুমিকার উপর নির্ভর করছে আরাকানের মুসলমানদের আরাকানে টিকে থাকা না থাকা।
আমরা যদি ঈমানী কারনে বা মানবিক কারনে সঠিকভাবে আরাকানের রোহিঙ্গা মুসলমানদের সহযোগীতা করতে পারি তাহলে আরাকানের প্রায় ২৫০ বছরের এই নির্মম দুঃখ কষ্ট দূর হবে ইনশাআল্লাহ। আমি মনেকরি এই সহযোগীতায় সামিল হবে বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ।
"পাশের বাড়ীতে আগুন লেগেছে আমার ঘরতো ঠিক আছে" এই মুর্খচিন্তা ও এই স্বার্থপরতা দেহে নুন্যতম ঈমান থাকতে আমরা দেখাতে পারিনা।
.................ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

মানবিক সাহায্য চালিয়ে যেতে হবে।

মানবিক সাহায্য চালিয়ে যেতে হবে। অধিকার হারা রোহিঙ্গাদের বিরোধীতা নয়। ওরা নির্যাতিত.! ওরা অসহায়.! ওরা আমাদের মেহমান। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র বিরোধীতা করবো মায়ানমারের। রোহিঙ্গা ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোন পথ নেই।
মায়ানমারের এই খুনের দরিয়ার বিরুদ্ধে এবং অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সহযোগীতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সার্বিক সহযোগীতা করে যেতে হবে।
........ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

কোরআনের আয়াত

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"তোমরা যদি (নির্যাতিত মানুষের সাহায্যে) বের না হও, তাহলে তোমাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দেয়া হবে, আর তোমাদের স্থলে অন্য সম্প্রদায়কে আনা হবে (অথচ) তোমরা তাঁর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।"
(সূরা-তাওবা-৩৯ )
Read more ...

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

 রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মানী মেহমান। তাদের ঈমান বড়ই দামী। ঈমান ছাড়া তারা সবই হারিয়েছে। জীবনের দামে তাদের ঈমান কেনা। বৌদ্ধ জালিমরা তাদের গোস্ত থেকে হাড্ডি আলাদা করতে পেরেছে কিন্তু হৃদয় থেকে ঈমানকে আলাদা করতে পারেনি।
যারা কোনভাবে বেচে রয়েছে তারা ধংসস্তুপ থেকে নুন্যতম মানবাধিকার পাওয়ার আশায় আমাদের উপর বড় আশাকরে বিরাট আস্থা বিশ্বাস রেখে ছুটে এসেছে মায়ানমার থেকে। ক্ষতবিক্ষত হৃদয় ও রক্তাক্ত দেহ নিয়ে জালিমদের চোখ এড়িয়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনের পর দিন হেটে হেটে বন জংগলের হিংস্রপ্রাণীদের এড়িয়ে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশে আমাদের কাছে এসেছে।
আমরা তাদেরকে সর্বচ্চ সম্মান দেখিয়ে সাধ্যানুযায়ী সার্বিক সহযোগীতা করা আমাদের উপর ফরজ। তারা আমাদের কাছে এসে ছোট হয়নি বরং আমরা তাদেরকে সম্মান ও সার্বিক সহযোগীতা সঠিকভাবে করতে না পেরে তাদের কাছেই আমরা অনেক ছোট ও লজ্জিত।
আশাকরি কারো নুন্যতম মানবতাবোধ থাকলে হৃদয়ে নুন্যুতম ঈমানের একটি কণাও থাকলে প্রিয় রোহিঙ্গাদের নিয়ে জীবনে আর কোনদিন ঠাট্টা মশকারা করবেনা।
.................ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

আলেমদের ধংসাত্বক ঘুমেরই খেসারত দিচ্ছে নির্যাতিত মুসলমানরা

আলেমদের ধংসাত্বক ঘুমেরই খেসারত দিচ্ছে নির্যাতিত মুসলমানরাঃ
বড় বড় খুনিরা বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধান হয়ে আছে। যারা খুনিদের পাশে দাঁড়াতে দাঁড়াতেই ক্ষমতায় এসেছে। আর তাদের দিকেই এখন বিশ্ব মুসলিমরা তাকিয়ে আছে, তারা নাকি মায়ানমারের নিপীড়িত মুসলমানের পাশে দাঁড়াবে। এটা ভুল। এরা দাঁড়ালে অনেক আগেই দাঁড়াতো। রোহিঙ্গা নির্যাতনতো হঠাৎ বা নতুন করে হচ্ছেনা।
ভাই..খুনিরা খুনিদের পাশেই দাঁড়াবে এটাই স্বাভাবিক। এ শাসকদের কেউ কেউ রোহিঙ্গাদের সহযোগীতার ভান ধরে মুলত রোহিঙ্গাদের চিরতরে নির্মুলের মিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
নইলে শত শত বছর ধরে এত পাশবিকতা এত নির্মমতা এত ভয়ংকর হত্যা দেখেও ১০০% গতিতে এ নির্মমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার জায়গা ০২% গতিতে ধীরে ধীরে আস্তে আস্তে এরা কেন কথা বলে..?
লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের হত্যা করাকে রুখে দিতে আর কত বছর লাগবে..? আসলে এ শাসকদের গতিবিধি আচরণ সন্দেহজনক। এদের দিয়ে স্থায়ী সমাধান হবে বলে আমি মনে করিনা।
যতদিন পর্যন্ত ঈমানদার শাসক এ মাজলুমদের প্রতিবেশী না হবে ততদিন পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান হওয়া দূর আশা।
সমাধানটা আসতে হবে ঈমানদারদের থেকে। ঈমানদাররা যদি এখনো গর্জে উঠে তাহলে ইনশাআল্লাহ স্থায়ী সমাধান হতে বাধ্য। তবে সে নেতৃত্বে থাকতে হবে আলেম সমাজ।
ছোটবেলা থেকে সুন্নত নফল ফাজায়েল মাসায়েল নিয়ে সম্মানিত আলেম সমাজের যেভাবে আন্তরিকতা সতর্কতা পেরেশানি তর্কবিতর্ক দেখে আসছি। ঠিক সেভাবে অন্যায় জুলুম খুন হত্যার বিরুদ্ধে মানবাধিকার জিহাদ সমাজ রাষ্ট্রক্ষমতা আইন বিচার রাষ্ট্রনীতি পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ইসলামে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও আলেমদের কোন কার্যকরী ভুমিকা পাওয়া যায়নি। বরং ইসলামের এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এ আলেমরা অন্ধ ও প্রতিবন্ধী হয়ে আছে। এ সুযোগটাই গ্রহণ করেছে খুনি ও জালেমরা। তাই আজ বিশ্বের অনেক মুসলিম রাষ্ট্রের শাসকরাই জালিম। আর আলেমরা এ বিষয়ে ঘুমিয়ে আছে। মুলত আলেমদের এঘুমেরই খেসারত দিতে হচ্ছে মুসলমানদের। তাদেরকে এ ধংসাত্বক ঘুম থেকে জাগাতে হবে। আজ মানবতার এ দুঃসময়ে ইসলামের এ দুঃসময়েও যদি রাষ্ট্র ক্ষমতার গুরত্ব না বুঝে তাহলে আর কখন বুঝবে??
আলেম সমাজ যদি জালিমদের বিরুদ্ধে মাজলুমের পক্ষে আল্লাহ তায়ালার যে কর্মসুচি তা সঠিক ভাবে তুলে ধরতে পারেন আমি মনে করি শাসকদের ও জালিমদের টনক নড়বেই। আমাদের এ চেষ্টার কারনে আল্লাহর সাহায্যও আসবে ইনশাআল্লাহ। মুক্তি পাবে মানবতা। মুক্তি পাবে মাজলুমেরা। ধংস হবে জালিমরা। ইনশাআল্লাহ।
বিঃদ্রঃ এ মতামত একান্ত আমার ব্যক্তিগত। ভুল সংশোধনযোগ্য।
................ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

 রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

হিজরতকারী রোহিঙ্গাদের কলিজার টুকরা সন্তানরা তাদের চোখের সামনেই বিনা চিকিৎসায় প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত খাওয়া নেই, পানি নেই, বাসস্থানের ব্যবস্থা নেই, নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা। যতটুকুন ত্রাণ যাচ্ছে সে ত্রাণ বিতরণেরও কোন শৃঙ্খলা নেই। এক কথায় অভিভাবকহীন হয়ে অর্ধাহারে অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা নির্যাতিত মুসলমান।
রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে সুন্দর সুন্দর অভিভাক সুলভ যে কথা গুলো মিড়িয়ায় দেখছি তার দ্রুত বাস্তবায়ন চাই। উদার মনে যেভাবে এদের জায়গা দেয়া হয়েছে সে উদারতার বাস্তব প্রমাণ চাই। কারন রাষ্ট্র যা পারবে আমরা সাধারণ মানুষরা তা পারবোনা। শুধু জায়গা দিলেতো হবেনা জায়গা দেয়ার সাথে তাদের মানবাধিকারের বিষয়টিও জড়িত। এই অসহায়দের মানবাধিকার বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাদেরকে ঠেকাবেননা।
.........ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

রোহিঙ্গা মুসলিম এর ব্যাপারে কথা

 রোহিঙ্গা মুসলিম এর ব্যাপারে কথা

আজ আমাদের কলিজার টুকরা রোহিঙ্গা সন্তানরা মুসলমান হওয়ার অপরাধে জীবনের শুরুতেই অসভ্য এই নির্মম পৃথিবীর পরিচয়টা এভাবেই পেলো.! গতকালের বিবিসির খবর অনুযায়ী এই পর্যন্ত ১৩০০ শিশু মা বাবা ছাড়াই এসেছে।

ভাই এ অবুঝ শিশুদের কি দিয়ে দিবেন সান্তনা.? তাদের প্রশ্ন আমাদের একমাত্র সান্তনা ও আশ্রয়স্থল প্রিয় মা-বাবাকে কেন হত্যা করা হল.? মা-বাবার বুক জড়িয়ে ঘুমানোর ঘরটিও কেন পুড়িয়ে ফেলা হলো.?

যে বোনটি হাসিমুখে আদর করে কোলে তুলে রাখতো সে প্রিয় বোনটিকে কেন জবাই করে দেয়া হলো.? যে ভাইয়া মায়া করে বুকে রাখতো তাকে কেন গুলী করে হত্যা করা হলো.? ভাইয়ার কি দোষ ছিলো.? আপুর কি দোষ ছিলো.?

আমরা কোথায় আসলাম.? কোথায় যাবো.? কি খাবো.? কে খাওয়াবে.? আর কোনদিন কি প্রিয় মা-বাবাকে দেখবোনা.? ভাইয়া আপুর আদর কি পাবোনা.? আম্মু আব্বুর মত করে আমাদের কেউকি আদর করবে.?

হাজার হাজার নিঃস্ব অসহায় শিশুদের হাজার প্রশ্নের জাওয়াব কে দিবে.? আলেম ও মুসলিম শাসকরা কি এই প্রশ্নের জাওয়াব দেয়ার দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করে.? তাদের এই ধংসাত্বক ঘুম ভাংতে আর কত দেরী.?

..........ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

ভ্রাতৃত্ব রক্ষা ঐক্যের বিকল্প নেই

 ভ্রাতৃত্ব রক্ষা ঐক্যের বিকল্প নেই

মুসলমানরা নিজেদের অস্তিত্ব ও ভ্রাতৃত্ব রক্ষা এবং দেশ ও সমাজের শান্তি-স্থিতির জন্য ঐক্যের বিকল্প নেই।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ করো; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হইও না।' (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)
Read more ...

ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে কোরআনের আয়াত

 ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে কোরআনের আয়াত

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম (মতবাদ) তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত।"
(সুরা ইমরানঃ৮৫)
Read more ...

হজরত ইবরাহিম ( আঃ ) এর পিতার ব্যাপারে হাদিস


 হজরত ইবরাহিম ( আঃ ) এর পিতার ব্যাপারে হাদিস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন ইবরাহিম তার পিতা আযরের সাথে দেখা করবে, তার চেহারার ওপর থাকবে বিষণ্ণতা ও ধুলো-বালি (অবসাদ)। ইবরাহিম তাকে বলবে: আমি কি তোমাকে বলিনি আমার অবাধ্য হয়ো না?
অতঃপর তার পিতা তাকে বলবে: আজ তোমার অবাধ্য হব না।
অতঃপর ইবরাহিম বলবে: হে আমার রব, আপনি আমাকে ওয়াদা দিয়েছেন যেদিন উঠানো হবে আমাকে অসম্মান করবেন না, আমার পতিত পিতার অপমানের চেয়ে বড় অপমান কি!
অতঃপর আল্লাহ বলবেন: নিশ্চয় আমি কাফেরদের ওপর জান্নাত হারাম করে দিয়েছি।
অতঃপর বলা হবে: হে ইবরাহিম তোমার পায়ের নিচে কি? সে দেখবে তার পিতা আচমকা রক্ত-ময়লায় নিমজ্জিত হায়েনায় পরিণত হয়েছে, তখন তার পা পাকড়াও করে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে”।
[বুখারি] হাদিসটি সহিহ।
Read more ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রাত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রাত
দুঃসহ রাত। ঘনকালো অন্ধকার। রাতের নিস্তব্ধতা ভাঙছে রোহিঙ্গাদের আর্তনাদ। পিদিমের ক্ষীণ আলো জানান দিচ্ছে বিপর্যস্ত মানবতার অস্তিত্ব। সমতল ও পাহাড়ের বুক জুড়ে মাটিতে শুয়ে-বসে আছে আশ্রয়হীন অগণিত নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ। তাদের নির্ঘুম রাতের সঙ্গী ক্ষুধা, তৃষ্ণা, যন্ত্রণা, অসুখ, ক্লান্তি, ভয়, আহাজারি আর ফেলে আসা ভয়াল অতীত। দু’চোখে রাজ্যের অনিশ্চয়তা। তবুও মিয়ানমারে মৃত্যুর তাড়া খাওয়া বিপন্ন জীবন রক্ষা পাওয়ার স্বস্তিতে অনেক রোহিঙ্গার চোখে ক্লান্তির ঘুম। কারও কারও সেই ঘুম ভাঙছে বীভৎসতার দুঃসহ স্মৃতির দুঃস্বপ্নের তাড়ায়। মশা এবং পোকা-মাকড়ের উৎপাতও কেড়ে নিচ্ছে বহু প্রতীক্ষার ঘুম। এলোমেলো মানুষের দীর্ঘ সারি। নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ-নবজাতক সবাই একসঙ্গে। কিংবা পিতা-মাতা-কন্যা-ছেলে-ভাই-বোন-স্বামী-স্ত্রী পাশাপাশি। সারির পর সারি। পিচঢালা রাস্তার পাশ থেকে শুরু। সমতল হয়ে মিশে গেছে পাহাড়ের ঢালে। চূড়ায়। অনেকের মাথার উপরে তাঁবু নেই। গায়ের নিচে নেই মাদুর। কাদামাটিতে খোলা আকাশের নিচে শুয়ে পড়েছে নিরুপায় বাস্তুচ্যুতরা। পলিথিন-ত্রিপলের তাঁবুর নিচে ছোট্ট স্থানে সবার জড়োসড়ো হয়ে রাত কাটানোর প্রস্তুতি। প্রকৃতিও তাদের প্রতি যেন নির্দয়। এরই মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানি। প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত। দমকা হওয়া। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পর ভারি বর্ষণ। অঝর ধারায় ভিজছিলো হাজার হাজার নিরাশ্রয় মানুষ। বর্ষণের শুরুতেই অসার প্রমাণিত হলো ঠুনকো তাঁবুগুলো। শিশু সন্তানদের মাথা ভিজতে না দেয়ার মাতৃচেষ্টাও ছিল নস্যি।
শনিবার রাত ১০টা থেকে ২টা। উখিয়ার বাঘঘোনার শফিউল্লাহ কাটা। আরাকান সড়কের দু’পাশে গড়ে উঠা অস্থায়ী ও অনিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্প। সেখানে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের এমন অবর্ণনীয় দুঃসহ বিপর্যস্ত রাত কাটাতে দেখা গেছে। গত ২৫শে আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা নির্মূলে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ ও ঘরবাড়ি পুড়ানো শুরু করার পর প্রাণ নিয়ে এদেশে আশ্রয় নেয় ওরা।
রাত ১০টা ১৫ মিনিট। শফিউল্লাহ কাটা। আরাকান রোড সংলগ্ন পশ্চিম পাশ। সড়কের কালো পিচের পর কয়েক ফুট মাটির অংশ। তারপর সবুজ ধানক্ষেত। রাস্তার পাশের সেই ছোট্ট স্থানের আগাছা পরিষ্কার করে বিছানা পেতেছে তিনটি পরিবার। বিপদ ভুলিয়ে দিয়েছে বিভেদ। পিতা, ছেলে ও মেয়ের পরিবার এক হয়ে গেছে। সাত ফুট দৈর্ঘ্য ও ছয় ফুটের মতো প্রস্থের ছোট্ট জায়গায় তারা। চারটি বাঁশ পুঁতে টানানো হয়েছে একটি তাঁবু। মাঝের অংশ মশারির মতো বেশ ঝুঁকে পড়েছে।
সেদিকে টর্চের আলো ফেলতেই চোখে পড়লো এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য। এক বৃদ্ধ। মুখে আলো পড়তেই নড়ে উঠলেন। মাদুরে তার পুরো ঠাঁই হয়নি। অর্ধেক শরীর কাপড়ে, বাকিটা মাটিতে কাদায় মাখামাখি। চলন্ত গাড়ির চাকা রাস্তার পিচের নিচে নামলেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা। তবু সেই আশ্রয়েই নির্বিকার তারা। এরই মধ্যে সচকিত হয়ে উঠলেন অন্যরাও। সত্তরোর্ধ্ব ওই বৃদ্ধ হারুনুর রশিদ ছয় বছর ধরে রোগে ভুগছেন। তাই এমন দশা বলে জানালেন তার বড় ছেলে ফয়েজ। তার বয়স ৩২। তারা এক কাপড়ে তিন সপ্তাহ ধরে আছেন। পাতলা একটা কাপড় গায়ের নিচে মাটিতে বিছিয়ে শুয়ে আছেন সবাই। ততক্ষণে মানুষের কোলাহলে কেঁদে উঠলো নবজাতক। ১৭ ঘণ্টা আগে শনিবার ভোরে সেখানে সে অবস্থায়ই তার জন্ম হয়। কোনো ধাত্রী বা সেবাও জুটেনি ফয়েজের স্ত্রী আজিদার (২৫)। একটু গরমের ছ্যাঁকার জন্য সারা দিন তার আর্তি। জুটেনি তাও। অথচ নবজাতকের জন্ম নেয়ার কথা ছিল বুথেডংয়ের নাইক্ষ্যংডিয়ায় বাপ-দাদার ৫ কক্ষের কাঠের ঘরে। নিরাপদে। নির্মম মৃত্যুর ভয়ে তিন সপ্তাহ আগে গত ২৬শে আগস্ট পরিবারটি ঘর ছাড়ে। প্রাণের ভয়ে দুর্গম পথ ধরেছিলো তারা। আসে লুকিয়ে লুকিয়ে। দেরি করে। পাহাড়, ঢালা, ঝিরি, নদী, সমতল পেরিয়েছেন পায়ে হেঁটে। বহু কষ্টে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মিয়ানমারের শিলখালী হয়ে আঞ্জুমানপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পাশেই কাতরাচ্ছিলেন ফয়েজের ষাটোর্ধ্ব মা ছকিনা খাতুন। তিনি আলসার ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। আগের দিন খেয়েছিলেন। আর দানাপানি জুটেনি। ক্ষুধায় তার যন্ত্রণা বেড়েছে। পাশে বসা ফয়েজের ছোট বোন ষোড়শী ফরিদার দু’পা ফুলে গেছে। তিনি অন্তঃসত্ত্বা, দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়ার ফল। ফয়েজ, তার ছোট ভাই ইব্রাহিম (২২) এবং ফরিদার স্বামী নাঈম (২২)-এর কাঁধে চড়ে বৃদ্ধ হারুন প্রাণ বাঁচান। বাবা-মাকে আনার জন্য ইব্রাহিম জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী স্ত্রী শাকেরা (১৭) ও এক বছরের কন্যা শিশু মোকাররমাকে মিয়ানমারের মৃত্যুকূপে ফেলে এসেছেন। জানে না তাদের ভাগ্যে কী জুটেছে। তাদের দু’কাঁধের দগদগে ক্ষতেও কোনো চিকিৎসা পায়নি। তাদের সঙ্গে একজনের গায়ের ওপর অন্যজন করে শুয়ে আছে ফয়েজের অপর মেয়ে শায়েকা (৫), ছেলে কায়সার (৪) ও মফিজুর রহমান (২)। এই আড়াআড়ি অবস্থায় কেউ নড়াচড়া করলেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছিলেন আজিদা। যদি নবজাতক ও শিশুদের মাড়িয়ে যায়। তাহলে রক্ষে নেই। বিজলী-বজ্রপাতের পর বৃষ্টি আসলে সন্তানদের কীভাবে রক্ষা করবেন সে চিন্তায় অস্থির তারা। কষ্টে-যন্ত্রণায় দু’চোখ ভেসে যাচ্ছিলো আজিদার।
তিনি বলেন, কষ্ট আর যন্ত্রণায় রাত শেষ হচ্ছে না। কয়েকদিনের উপুসে শক্তিহীন শরীরে বাচ্চা প্রসব কত যে কষ্টের তা কী কাউকে বলে বোঝানো যায়?
শুধু তারা নয়। রাস্তার পাশে সেই ছোট্ট স্থানে ছোট ছোট তাঁবু গেড়েছে অনেকেই। পাশের ধানক্ষেত পেরিয়ে পাহাড়েও শত শত তাঁবু। রাস্তার বিপরীতে পূর্বপাশে সমতল, পাহাড়ের ঢাল ও চূড়ায় শুয়ে আছে হাজার হাজার মানুষ। কারো তাঁবু হয়েছে তো, কারো হচ্ছে।
রাত ১২টা। রাস্তা পার হয়ে পূর্বপাশে আসতেই দেখা গেল শুয়ে বসে থাকা মানুষের আরো দীর্ঘ সারি। এ যেন এক বিশাল লঙ্গরখানা। মিশে গেছে পাহাড় চূড়ায়। মাঝে মাঝে ক্ষীণ আলো জ্বলছে। কেউ কেউ জেগে থাকলেও অনেকেই ঘুমে। কারো মাথায় পলিথিনের ছাউনি উঠছে তো, কারও মাথার উপর খোলা আকাশ। পাহাড়ি ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতেই বিছানা পেতেছে তারা। আলো পড়তেই জেগে উঠলো তাহেরা (৪০) ও তার কিশোরী মেয়ে আমিনা (১৫)। পাশেই খালি গায়ে শুয়ে আছে ছেলে মোহাম্মদ ছালাম (১০), আবদুস সালাম (৯), মেয়ে সৈয়দা খাতুন (৩) ও অপর দেড় বছরের শিশুকন্যা সুরা খাতুন (১)। কারো মাথায় কোনো বালিশ নেই। গায়ে কাপড় নেই। তার স্বামী ছৈয়দুর রহমান যেন কোথায় গেছেন।
তাহেরা বলেন, ‘এক চাটাইয়ের জায়গা পেয়েছি। সবাইর তাই। একটি ছেঁড়া ত্রিপল এক লোক দিয়েছে। তাই টানিয়েছি। তা রোদ থেকে বাঁচালেও বৃষ্টি থেকে রক্ষার মতো নয়। রাতে কেউই ভাত খাইনি। কিছু চিড়া পেয়েছিলাম। সেই শুকনো চিড়া চিবিয়ে খেয়ে সন্তানদের সান্ত্বনা দিতে দিতে তাদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। মেঘের ঘনঘটা দেখে কীভাবে রক্ষা পাবেন সে দুশ্চিন্তায় পড়লেন তিনিও।
রাত ১২টা ৪০ মিনিট। কয়েক সারি ঘুমন্ত ও জেগে থাকা মানুষ অতিক্রম করে পাহাড়ের ঢালে। এক বাঁশের চালার কাঠামোর নিচে দাঁড়িয়ে আছেন বেশ কয়েকজন নারী। অনেকেই কিশোরী-যুবতী। প্রৌঢ়। মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরা এই নারীরা নির্ঘুম রাত জেগে নিজেদের সম্ভ্রম পাহারা দিচ্ছেন। কিন্তু আশ্রয় অতি ঠুনকো। ছোট্ট চালার উপর পাতানো পলিথিন ডেকেছে অর্ধেকটা। চারপাশও খোলা। মেঝের মাটি সমান করলেও তা বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার উপায় নেই। তাই ছোট্ট জায়গাটির চারপাশের পানি সরে যাওয়ার জন্য ড্রেন করেছেন। আগুন জ্বালানোর অবলম্বনও নেই। আর অতটুকুন জায়গায় কাত হওয়ার সুযোগও নেই। সেখানে চার পরিবার।
তারা হলেন, মংডুর দারাংছড়ার বাসিন্দা মৃত মকবুলের বিধবা স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৪৫)। তার তিন অবিবাহিত কন্যা আরফা বেগম (৩০) এবং দু’ছেলে জিয়া রহমান (২০) ও হেফাজুর রহমান (১৫)।
বুথেডংয়ের চওপ্রাংয়ের মিনগিরিটং এলাকার বাসিন্দা মৃত নূর মোহাম্মদের বিধবা স্ত্রী গুরাপুতু (৪০)। তিনি জাহানের ছোট বোন। সঙ্গে তার কন্যা আসমিদা বেগম (১৫), জোহরা বেগম (১৪), কসমিদা বেগম (১৩), সাহাব উদ্দিন (১২), নাজিম উদ্দিন (১০), নূর আজিজ (৭) ও নূর হাসিনা (৫)। সেই সঙ্গে গুরাপুতুর বিবাহিত মেয়ে ছুরা খাতুনের (২৫) পরিবারের ৪ সদস্য।
অল্প বয়সে বিধবা হওয়া দু’বোন জাহান ও গুরাপুতু মানবজমিনকে বলেন, মেয়েরা বড় হওয়ায় তাদের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য দুর্গম পথ দিয়ে আসতে হয়েছে। এখানে অপরিচিত জায়গায় মানুষের ওপর মানুষ। তাই ইজ্জত রক্ষার জন্য নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি।
এরপর রাত ১টার দিকে শুরু হয় ভারি বর্ষণ। মুহূর্তেই ঘুম ভাঙিয়ে দেয় সবার। দমকা হাওয়া উল্টে দেয় শত শত তাঁবুর পলিথিন। খড়ের মতো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে তাদের এতটুকুন আশ্রয়। সবাই ভিজতে থাকে। কে কাকে দেখে। জড়োসড়ো হয়ে ভিজছে সবাই। গা চুইয়ে ঝরছে বৃষ্টির পানি। শুধু বাঘঘোনায় নয়। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, যন্ত্রণা ও আশ্রয়হীনতায় এমন নিদারুণ কষ্টে রাত কাটাচ্ছে টেকনাফের নয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালংসহ দু’উপজেলার সব নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্পে। কষ্টের এ দীর্ঘ রাত কবে ছোট হয়ে আসবে তা জানে না এই অসহায় নিরুপায় রোহিঙ্গারা।
Read more ...

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ


 রোহিঙ্গা  প্রসঙ্গ

আচ্ছা অনেকেই রোহিঙ্গা বলে ভেচকি মারেন। তাদের দৃষ্টিতে রোহিঙ্গা মানে রিপিউজি। যদি তাই হয় তাহলে আপনিও রোহিঙ্গা।
কারন আপনি আপনার নিজ দেশে এত চেতনা লালন করার পরও স্থায়ী নন। শুধু নিজ চেতনার দেশ নয় বিশ্বে কোন দেশেও স্থায়ী হতে পারবেননা।
একদিন আপনাকেও দলবেধে সবাই মিলে হাত পা শক্তকরে বেধে মাটিতে পুঁতে ফেলবে। তাহলে আপনি স্থায়ী না রিপিউজি.??
সুতরাং তাদের রোহিঙ্গা বলে ভেচকি মারার আগে নিজেকে বসে বসে ভেচকি মারেন। তাহলে ভেচকি মারার প্রকৃত শান্তি ও মজা কিছুটা হলেও সেখানে পাবেন।
..........ইমাম উদ্দিন মিয়াজি।
Read more ...

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর অনুগ্রহের ব্যাপারে কোরআনের আয়াত

 মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর অনুগ্রহের ব্যাপারে কোরআনের আয়াত


"আল্লাহ যদি তোমাকে কষ্ট দিতে চান তাহলে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই, আর আল্লাহ যদি তোমার কল্যাণ করতে চান, তাহলে তাঁর অনুগ্রহ বাতিল করার কেউ নেই।"
--[সূরা ইউনুস ১০, আয়াত ১০৭]
Read more ...

নেতা হওয়ার যোগ্যতা

নেতা হওয়ার যোগ্যতা



নেতা হওয়ার জন্য যার খায়েশ আছে তার ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) বলেছেন সে নেতা হওয়ার জন্য অযোগ্যঃ
একদা রাসূল (সাঃ) দরবারে কিছু লোক উপস্থিত হয়ে তাঁর পক্ষ হতে শাসন নেতৃত্ব পাওয়ার অনুরোধ জানালো। জবাবে রাসূল সঃ বললেন, যারা স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব চায়, আমরা এমন লোককে কোন কিছুরই নেতৃত্ব দেই না। (বুখারী ও মুসলিম)
Read more ...